#আল্লাহু 'আলাম
Explore tagged Tumblr posts
Text
#দাঁড়িয়ে পানি পান করাকে অনেকে খারাপ মনে করে। কিন��তু দাঁড়িয়ে পানি পান করা সবসময়ই জায়েজ।।#আয়শা (রাঃ) বলেন#আমি রাসূল (সা.)-কে দাঁড়িয়ে ও বসে পানি পান করতে#খালি পায়ে ও জুতা পরিহিত অবস্থায় সালাত আদায় করতে এবং সালাত শেষে তাঁর ডান দিক থেকে ও বাম দিক থেকে#(সুনানে আন-নাসায়ী:১৩৬১)#কাবশা (রাঃ) বলেন#রাসূল (সা.) আমার ঘরে আসলেন#তিনি দাঁড়িয়ে থাকাবস্থায় একটি ঝুলন্ত মশকের মুখ হতে পানি পান করলেন। আমি পরে উঠে গিয়ে মশকের মুখে#(তিরমিজি:১৮৯২#ইবনে মাজাহ:৩৪২৩; মিশকাত:৪২৮১)#কূফা মসজিদের ফটকে ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট পানি আনা হলে তিনি দাঁড়িয়ে তা পান করলেন। এরপর তিনি বললেনঃ লো#অথচ আমি নবী (সা.)-কে দেখেছি#তোমরা আমাকে যেমনভাবে পান করতে দেখলে তিনিও তেমনি করেছেন।#(বুখারী:৫৬১৫)#ইবনু উমার (রাঃ) বলেন#রাসূল (সা.)-এর যামানায় আমরা হাঁটতে হাঁটতে খাবার খেতাম এবং দাঁড়িয়ে থাকাবস্থায় পানি পান করতাম।#(তিরমিজি:১৮৮০#মিশকাত:৪২৭৫)#এছাড়া সহিহ মুসলিমের দাড়িয়ে পানি পান নিষেধ মর্মে হাদিসগুলো অনেকের মতেই মানসুখ কারণ এর বিপরীতে#শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ.) বলেন#الشرب قاعدًا أفضل والشرب قائمًا لا بأس به، والحديث الذي فيه الاستقاء منسوخ#“(পানি) বসে পান করা উত্তম। দাঁড়িয়ে পান করায় কোনও অসুবিধা নেই। আর যে হাদিসে বমি করার কথা এসেছে তা#আল্লাহু 'আলাম#vedio waz
0 notes
Photo
ঈদের তাকবীর পাঠ ▬▬▬▬◆◈◆ ▬▬▬▬ প্রশ্ন: ঈদুল ফিতরে ঈদের তাকবীর পাঠ করা কখন থেকে শুরু আর কখন শেষ এবং তাকবীর পাঠের পদ্ধতি কি? উত্তর:শেষ রমাযানের সূর্য ডোবার পর তথা ঈদের রাত থেকে আরম্ভ করে ঈদের নামায শুরু (মতান্তরে খুতবা শেষ হওয়া) পর্যন্ত তাকবীর পাঠ করা সুন্নত। আল্লাহ তাআলা বলেন: وَلِتُكَبِّرُوا اللَّـهَ عَلَىٰ مَا هَدَاكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ ”আর তোমরা যেন এই সংখ্যা (রমাযান মাসের) সম্পূর্ণ করো, আর যাতে আল্লাহর বড়ত্বের ঘোষণা দাও তিনি তোমাদেরকে যে পথনির্দেশ দিয়েছেন সে জন্য, আর তোমরা যেন কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করো।” (সূরা বাকারা: ১৮৫) পুরুষগণ মসজিদ,বাড়ি, হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট তথা সর্বত্র উচ্চস্বরে তাকবীর পাঠ করবে। আর মহিলাগণ নিচু আওয়াজে তাকবীর পাঠ করবে। তবে দলবদ্ধভাবে সমস্বরে তাকবীর পাঠ করা সুন্নতের পরিপন্থী। কারণ সাহবীদের থেকে দলবদ্ধভাবে তাকবীর পাঠ করার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। অথচ তারা ছিলেন সৎকাজে আমাদের চেয়ে অনেক অগ্রগামী। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ঈদের আনন্দ প্রকাশ করা হয় অন্যদিকে আল্লাহর আনুগত্যের স্বীকৃতি এবং তাঁর বড়ত্বের ঘােষণা প্রদান করা হয়। ✪ তাকবীর পড়ার নিয়ম হল: “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার (তিন বার অথবা দু বার) লা-ইলাহা ইল্লালাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।” (এছাড়া আরও কয়েকটি পদ্ধতিতে তাকবীর পাঠ করার ব্যাপারে হাদিস বর্ণিত হয়েছে।) আল্লাহু আলাম। ▬▬▬▬◆◈◆ ▬▬▬▬ উত্তর প্রদানে: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জ��ীল মাদানী FB/AbdullaahilHadi দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব https://www.instagram.com/p/ByQYcj5Bi03/?igshid=1fzojbn36nat5
0 notes
Text
বিড়াল কেনাবেচা করা নিষেধ ▬▬▬◄❖►▬▬▬ প্রশ্ন: বিড়াল কেনাবেচা করা হালাল নাকি হারাম? উত্তর: বিড়াল ক্রয়-বিক্রয় করা হারাম। কারণ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। যেমন নিম্নোক্ত হাদিস সমূহ: ◼ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে: عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، قَالَ سَأَلْتُ ��َابِرًا عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ، وَالسِّنَّوْرِ، قَالَ زَجَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ আবূ যুবায়র (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি জাবির (রাযিঃ) এর নিকট কুকুর ও বিড়ালের মূল্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে সাবধান করে দিয়েছেন।" [সহীহ মুসলিম, হাদিস নম্বরঃ [3907] অধ্যায়ঃ ২৩। মুসাকাহ (পানি সেচের বিনিময়ে ফসলের একটি অংশ প্রদান) (كتاب المساقاة)পরিচ্ছদঃ ৯. কুকুরের মূল্য, গণকের গণনা কাজের মজুরী ও ব্যভিচারিণীর ব্যভিচার দ্বারা উপার্জিত অর্থ হারাম এবং বিড়াল বিক্রি করা নিষেধ। হাদিস একাডেমি] ◼ আরেকটি হাদিস: عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ وَالسِّنَّوْرِ . জাবির ইবনে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, "নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুকুর ও বিড়ালের বিক্রয় মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।" [সুনানে আবু দাউদ, অধ্যায়: ইজারা (ভাড়া ও শ্রম বিক্রয়) অনুচ্ছেদ-৬৪, বিড়াল বিক্রয় মূল্য সম্পর্কে, হা/৩৪৭৯-সহিহ] ♻ ইবনুল কাইয়েম রহ. বিড়াল ক্রয়-বিক্রয় হারাম হওয়ার বিষয়ে দৃঢ়ভাবে মত প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও বলেছেন: এটাই সঠিক অভিমত। কারণ এ বিষয়ে সহীহ হাদিস বর্ণিত হয়েছে এবং এর বিপরীতেও কোন হাদিস নেই। সুতরাং এ কথা বলাই আবশ্যক।" (যাদুল মায়াদ ৫/৭৭৩) ♻ সউদি আরবের স্থায়ী ফতোয়া বোর্ডের ফতোয়া হল: "বিড়াল, বানর, কুকুর ইত্যাদি লম্বা দাঁত বিশিষ্ট হিংস্র প্রাণী বিক্রয় করা নিষিদ্ধ। কারণ এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা ও সতর্কবাণী বর্ণিত হয়েছে। তাছাড়া এটি অর্থ-সম্পদ নষ্ট করার শামিল এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ ব্যাপারে নিষেধ করেছেন।" (ফতোয়া লাজনা দায়েমা ১৩/৩৭) আল্লাহু আলাম। ▬▬▬◄❖►▬▬▬ উত্তর প্রদানে: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল (লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়) দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।
0 notes
Text
শিশুর পেশাব কাপড় বা শরীরে লাগলে তা পবিত্র করার পদ্ধতি
প্রশ্ন: দুগ্ধপোষ্য ছেলে সন্তান পেশাব করলে তো পানি ছিটা দেয়াই যথেষ্ট। কিন্তু যখন পেশাব কাপড় অতিক্রম করে শরীরেও লাগে সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
আর দুধের পাশাপাশি অন্য খাবার খাওয়া বাচ্চাদের বেলায় কি করণীয়?
উত্তর:
দুগ্ধপোষ্য ছেলে শিশুর পেশাব কাপড় অতিক্রম করে শরীরে লাগলেও কাপড়ের উপর পানি ছিটাই যথেষ্ট। কেননা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কোলে এক ছেলে শিশু পেশাব করলে তিনি কেবল কাপড়ের উপর পানি ছিটিয়ে ছিলেন।
نْ أُمِّ قَيْسٍ بِنْتِ مِحْصَنٍ، أَنَّهَا أَتَتْ بِابْنٍ لَهَا صَغِيرٍ لَمْ يَأْكُلِ الطَّعَامَ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلي الله عليه وسلم فَأَجْلَسَهُ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِي حِجْرِهِ فَبَالَ عَلَى ثَوْبِهِ فَدَعَا بِمَاءٍ فَنَضَحَهُ وَلَمْ يَغْسِلْهُ .
উম্মু ক্বায়িস বিনতু মিহসান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি তাঁর দুগ্ধপোষ্য শিশু পুত্রকে নিয়ে রাসূল��ল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নিজের কোলে বসালে শিশুটি তাঁর পরিধেয় বস্ত্রে পেশাব করে দেয়। তিনি পানি আনিয়ে তাতে ছিটিয়ে দিলেন, কিন্তু ধৌত করলেন না। [বুখারী, অধ্যায়ঃ উযু, অনুঃ বাচ্চাদের পেশাব সম্পর্কে, হাঃ ২২৩), মুসলিম, অধ্যায়ঃ পবিত্রতা, অনুঃ দুগ্ধপোষ্য বাচ্চাদের পেশাবের হুকুম এবং তা ধোয়ার নিয়ম) ইবনু শিহাব সূত্রে)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন,
ﻳُﻨْﻀَﺢُ ﺑَﻮْﻝُ اﻟْﻐُﻼَﻡِ، ﻭَﻳُﻐْﺴَﻞُ ﺑَﻮْﻝُ اﻟْﺠَﺎﺭِﻳَﺔِ
“ছেলের পেশাবের উপর পানি ছিটা দিতে হবে। আর শিশু মেয়ের পেশাব (এর কাপড়) ধুতে হবে”। (সনদ সহীহ। সহীহ আবুদাঊদ হাঃ ৪০৩; তিরমিযী হাঃ ৬১০; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫২)
আর ছেলে সন্তান যত দিন পর্যন্ত দুধ ব্যতিরেকে সতন্ত্রভাবে অন্য খাবার না খাবে ততদিন পর্যন্ত এই বিধান প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ দুধ খাওয়ার পাশাপাশি যদি অন্য খাবারও সামান্য কিছু খায় তাতে সমস্যা নেই। (সহীহ বুখারীর ব্যাখ্যা গ্রন্থে ইবনে হাজার আসকালানী রহ. এ মতই ব্যক্ত করেছেন) আল্লাহু আলাম।
▬▬▬✪✪✪▬▬▬
উত্তর প্রদানে: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যায়লয়, সৌদি আরব)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব।।
0 notes
Photo
অসুস্থতার কারণে পেট থেকে কিছুক্ষণ পরপর গ্যাস নির্গত হলে ওযু ও সালাতের বিধান ======== পেট থেকে কিছুক্ষণ পরপর গ্যাস/বায়ু নির্গত হওয়া একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা বা রোগ। তাই এ অবস্থায় সালাত পরিত্যাগ করার সুযোগ নাই। বরং ওযু করে যথা নিয়মে সালাত আদায় করতে হবে। ▪ রোগের কারণে সালাতরত অবস্থায়ও যদি কিছুক্ষণ পরপর গ্যাস/বায়ু বের হয় তাতে সালাত ভঙ্গ হবে না। সালাত আদায়ের পর পুনরায় তা কাযা করারও দরকার নাই- যদিও পরে গ্যাস নির্গমন বন্ধ হয় এবং পূনরায় সালাত পড়ার সুযোগ থাকে। ▪ অনুরূপভাবে ওযু করার পর যদি গ্যাস নির্গত হয় তাহলে তাতে ওযু নষ্ট হবে না। তাই পুনরায় ওযু করারও দরকার নাই। এমনকি তায়াম্মুম করারও দরকার নাই। বরং উক্ত ওযু দ্বারাই সলাত আদায় করবে। তবে এক ওযু দ্বারা একাধিক ওয়াক্তের সালাত আদায় করা যাবে না। বরং প্রতি ওয়াক্তে আলাদা আলাদা ওযু করতে হবে। 🔰 বি: দ্র: অব্যহতভাবে ফোটাফোটা পেশাব নির্গত হওয়া এবং মহিলাদের ইস্তিহাযা বা রক্তপ্রদর রোগের ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য। আল্লাহু আলাম ------------------------------- আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
0 notes
Photo
কোন ব্যক্তি যদি রামাযানের রোযা রাখতে অক্ষম হয় এবং তার ফিদিয়া (একজন মিসকিনকে খাদ্য প্রদান) প্রদানেরও ক্ষমতা না রাখে তাহলে কী করণীয়? উত্তর: কোন ব্যক্তি যদি বয়োবৃদ্ধ বা অসুস্থ হওয়ার কারণে রামাযানের রোযা রাখতে না পারে এবং ভবিষ্যতেও সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে তাহলে ফিদিয়া প্রদান করবে। অর্থাৎ প্রতিটি রোযার বিনিময়ে একজন মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে। আল্লাহ তাআলা বলেন: وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ “আর এটি যাদের জন্য অত্যন্ত কষ্ট দায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকিনকে খাদ্যদান করবে।” (সূরা বাকারা: ১৮৪) এই আয়াতের তাফসীর হল, কোনো ব্যক্তি যদি অতিরিক্ত বয়স হয়ে যাওয়ার কারণে অথবা শয্যাশায়ী রোগে আক্রান্ত হয়ে যাওয়ার কারণে রোজা রাখতে সক্ষম না হয় অর্থাৎ এমনভাবে অসুস্থ হয়েছে যে, এই রোগ থেকে আর মুক্তি পাওয়ার আর সম্ভাবনা দেখা যায় না বা প্রায় মৃত্যু পথযাত্রী। তাহলে এধরণের লোকের ক্ষেত্রে ফিদিয়া দিতে হবে। আর তা হল, একটা রোযার বিনিময়ে একজন মিসকিনকে খাদ্যদ্রব্য প্রদান। *কিন্তু খাদ্য প্রদান করার ক্ষমতাও না থাকলে* সর্ব সম্মতিক্রমে তার জন্য ফিদিয়া প্রদান রহিত হয়ে যাবে। কেননা আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রতি সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না। এ মর্মে মহান আল্লাহ বলেন: لَا يُكَلِّفُ اللَّـهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا “আল্লাহ কারো উপর তার সাধ্যাতীত কোন কাজের দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না।” (সূরা বাকারা: ২৮৬) তিনি আরও বলেন: فَاتَّقُوا اللَّهَ مَا اسْتَطَعْتُمْ “অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যতটুকু তোমাদের সাধ্যের মধ্যে থাকে।” (সূরা তাগাবুন: ১৬) তবে ভবিষ্যতে যদি ফিদিয়া প্রদানের সামর্থ হয় তাহলে তখন তা আদায় করবে। আল্লাহু আলাম। ✒✒✒✒ *উত্তর প্রদানে:* শাইখ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল https://www.facebook.com/AbdullaahilHadi দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার.ksa
0 notes